গ্রামের এক ধনী জমিদার মোল্লাকে পছন্দ করতেন না। মোল্লার মত একটা গরীব লোক, অথচ কিনা সবাই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। জমিদারের তাই এহেন অবজ্ঞা। .
একবার তার বাড়ীতে ছেলের বিয়ে; সবাইকে নেমন্তন্ন করা হল, শুধু তাকেই বাদ দেওয়া হল।
মোল্লা সাহেব এক মতলব ঠাওরালেন। একটা খাম জমিদারের নামে লিখে, ভেতরে সাদা এক টুকরো কাগজ দিয়ে, খামের মুখ এঁটে জমিদারের বাড়ীতে হাজির ৷ তখন সবাই খেতে বসেছে।
‘মশাই, এই চিঠিটা কাজী সাহেব পাঠিয়েছেন। —‘ও, তাই নাকি, আমার কি সৌভাগ্য, কাজী সাহেব নিশ্চয়ই এই বিয়েতে ছেলেকে আশীৰ্বাদ জানিয়েছেন। আসুন, আপনি দয়া করে ঐ পংক্তিতে খেতে বসুন’—এতক্ষণে সাদর অভ্যর্থনা করা হয় মোল্লার।
মোল্লার খাওয়া শেষ হবার পর, তিনি বিদায় নিতে গেলেন জমিদারের কাছে। আর, তখনি তার মনে পড়লো কাজীর চিঠিটার কথা। তাড়াতাড়ি খুলে দেখেন—ভেতরে শুধু একটা সাদা কাগজ, কিছু লেখা নেই।
‘কি ব্যাপার মোল্লাজী, কাজী তো কিছুই লেখেননি।’
'ত আমি কি করে জানবো? আমার কাজ ছিল চিঠিটা দেবার, অামি তা করেছি, ব্যস!’
0 coment�rios: