মুদীর দোকানে অনেক বাকী পড়েছে, লজ্জায় পালিয়ে-পালিয়ে বেড়ান নাসিরউদ্দিন, তাকে এড়াতে।
এমনই দুর্ভাগ্য মোল্লার, হঠাৎ একদিন পথের মাঝে মুদীর সঙ্গে দেখা —আজ এড়িয়ে যাবার কোন উপায়ই নেই দেখে মোল্লা স্বয়ং উদ্যোগী হয়ে বলেন, ‘মুদী ভাই, তোমার কাছে অনেক দেন পড়েছে, ভাই না?’
‘আজ্ঞে হ্যাঁ, অনেকদিন ধরে দোকানে আপনারও পায়ের ধূলো পড়ে না।’
‘তা, কত দেনা হয়েছে ভাই?’
প্রাপ্য পাবার আশায় মুর্দীর চোখ চকচক করে। বলে, আপনার কাছেও তো খাতায় লেখা আছে। তবু বলছি আমি আপনার কাছে পঁচিশ দেরহাম পাবো।’
‘ও, মাত্র পঁচিশ দেরহাম? তাই বলে । তা ধরে, এ মাসের শেষের দিকে যদি দশ দেরহাম দিই, আর পরের মাসের শেষেও পনেরো দেরহাম দিই, তাহলে কত পাওনা থাকে?
‘অজ্ঞে কিছুই পাবো না আপনার কাছে।’
‘ওহে, শেষ পর্যন্ত দেখলে তো, তুমি আমার কাছে কিছুই পাও না। আচ্ছা আজ চলি ভাই।’
—এহেন নতুন ধরণের হিসেব মুদী বাপের জন্মেও শোনেনি!
0 coment�rios: